দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশ থেকে সাগরপথে ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে অনিয়মিতভাবে যাওয়ার প্রবণতাকে ভয়াবহ ও ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এমপি। তিনি এ ধরনের অভিবাসন পুরোপুরি বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।
রাজধানীর একটি হোটেলে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম আয়োজিত “ফ্রম রিটার্ন টু রাইজ: স্টোরিজ অব রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড রিইন্টিগ্রেশন” শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং ব্র্যাকের সহায়তায় বাস্তবায়িত “ইমপ্রুভড সাসটেইনেবল রিইন্টিগ্রেশন অব বাংলাদেশি রিটার্নি মাইগ্র্যান্টস (প্রত্যাশা-২)” প্রকল্পের অভিজ্ঞতা ও অর্জন তুলে ধরা হয়। বিদেশফেরত অভিবাসীরা তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেন।
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক বলেন, অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকাতে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি প্রবাসীদের পাঠানো অর্থে শক্তিশালী হচ্ছে, তাই তাদের পুনর্বাসন ও কল্যাণে টেকসই উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ব্র্যাকের চেয়ারপারসন ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, নিরাপদ অভিবাসন ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য। জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাওসার চৌধুরী দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরি করে বিদেশে পাঠানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ বলেন, বিদেশে যেতে বিপুল খরচের কারণে অনেক অভিবাসী ঋণের চাপে পড়ে যান, ফলে অনেকে মানসিক ও আর্থিক সংকটে পড়েন। ফেরত আসাদের জন্য মনোসামাজিক সহায়তা ও পুনর্বাসন জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি ইউরাতে স্মালস্কাইটে মেরভিল বলেন, অনিয়মিত অভিবাসন কমাতে বৈধ পথে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ ও সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডসহ বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিদেশফেরত অভিবাসীরা।
জে আই